উত্তরাঞ্চলে কৃষি নির্ভর শিল্প গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দিনাজপুর, রংপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় কৃষিপ্রধান এলাকা। এসব জেলায় কৃষিজাত পণ্য নিয়ে কাজ করা বড় বড় কোম্পানির সঙ্গে এরইমধ্যে কথা হয়েছে। ঈদের পর তাদের নিয়ে বসব। এখানে কী ধরনের কৃষিনির্ভর কলকারখানা করা যায়, যাতে স্থানীয় বেকার যুবক ও নারীদের কর্মসংস্থান হয়, সেই উদ্যোগ আমরা গ্রহণ করবো।’
বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘আজ যে মাসে পাঁচ হাজার টাকা আয় করে, আমরা চাই আগামী দুই-চার বছরের মধ্যে তার আয় যেন দশ হাজার টাকায় পৌঁছায়। এমন পলিসি নিতে চাই, যাতে মানুষের আয় দ্বিগুণ হয়। এটাই শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার রাজনীতি এবং আপনাদের নির্বাচিত বিএনপি সরকারের রাজনীতি।’
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশের অর্থনীতিতে চাপ থাকলেও ধীরে ধীরে নির্বাচনী ইশতেহার পূরণে সরকার কাজ করবে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘এ দেশের মানুষ একাত্তরে যুদ্ধ করে স্বাধীন করেছিলেন। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচার বিদায় করেছে। শহীদ জিয়ার আমলে খাল খননের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন দ্বিগুণ করে বিদেশে রপ্তানি করেছিল। এ দেশের মানুষ এত কিছু করতে পারলে, আপনারাই আগামীর ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবেন।’
তবে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে বাধা সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকেই মিষ্টি কথায় বিভ্রান্ত করতে চায়। যারা দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের রাজনীতি হচ্ছে কৃষকের উপকার করা, মা-বোনদের স্বাবলম্বী করা, সাধারণ মানুষের জন্য ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে লেখাপড়া করে মানুষ হতে পারে, সেই ব্যবস্থা গড়ে তোলা।’