দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার অবসানে মৌলভীবাজার স্টেশন চৌরাস্তায় ড্রেইন নির্মাণ কাজ শুরু

সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ :
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মৌলভীবাজার স্টেশন চৌরাস্তায় দীর্ঘদিন ধরে পানি নিষ্কাশনের কোনো সুষ্ঠু ব্যবস্থা না থাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ী, পথচারী ও সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুম কিংবা সামান্য বৃষ্টিতেই দোকানের সামনে ও সড়কের বিভিন্ন অংশে পানি জমে থাকত। এতে বাজার এলাকায় কাদা ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে জনসাধারণের চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির মুখে পড়তেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটিতে একটি ড্রেইনের প্রয়োজনীয়তা থাকলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অবশেষে স্থানীয় জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে হ্নীলা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জনাব বেলাল উদ্দিন মেম্বার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তার প্রচেষ্টা এবং হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ আলীর সহযোগিতায় মৌলভীবাজার স্টেশন চৌরাস্তার দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে পানি চলাচলের সুবিধার্থে একটি ড্রেইন নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।
জানা গেছে, টেকনাফ উপজেলার বাজার ইজারা ফান্ড থেকে বরাদ্দ এনে এই উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শনিবার (২ মে ২০২৬) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ড্রেইন নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে এবং বর্তমানে কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে থাকার কারণে বাজারে আসা ক্রেতাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। বিশেষ করে বৃষ্টি হলে দোকানের সামনে হাঁটা চলা কঠিন হয়ে পড়ত। অনেক সময় ময়লা পানি জমে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হওয়ায় পরিবেশও নষ্ট হতো। ড্রেইন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, “এই জায়গাটিতে দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে থাকত। মানুষ ঠিকমতো চলাচল করতে পারত না। এখন ড্রেইনের কাজ শুরু হওয়ায় আমরা খুবই খুশি। কাজ শেষ হলে বাজারের পরিবেশ অনেক ভালো হবে।”
এলাকাবাসীর মতে, ড্রেইন নির্মাণ সম্পন্ন হলে জলাবদ্ধতা কমবে, বাজার এলাকায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ অনেকাংশে লাঘব হবে। পাশাপাশি বাজারের সৌন্দর্য ও পরিবেশও আগের তুলনায় উন্নত হবে বলে আশা করছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিরা জানান, জনগণের সমস্যা সমাধান ও এলাকার উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও জনগণের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে বলে তারা আশ্বাস দেন।