পত্রিকাটি উল্লেখ করেছে, এই সময়ে প্রতিদিনের গড় ব্যয় ছিল প্রায় ১০০ কোটি শেকেল (প্রায় ৩২ কোটি ডলার)।
যুদ্ধ পরিচালনার জন্য বরাদ্দ করা মোট বাজেট প্রায় ৩ হাজার ৯০০ কোটি শেকেল (প্রায় ১ হাজার ২৫০ কোটি ডলার)।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, বর্তমান ব্যয়ের হার বিশ্লেষণ করে এই হামলা আর কতদিন স্থায়ী হতে পারে সে বিষয়ে একটি ধারণা পাওয়া সম্ভব।
সংবাদমাধ্যমটির তথ্য অনুযায়ী, সেনাবাহিনী আরও অতিরিক্ত অর্থায়নের জন্য আবেদন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের (প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র) ক্রমবর্ধমান ঘাটতির খবরের মধ্যে, জরুরি নিরাপত্তা সরঞ্জাম সংগ্রহের জন্য ইসরাইল সরকার রোববার ৮২৫ মিলিয়ন ডলারের একটি জরুরি বাজেট বরাদ্দ অনুমোদন করেছে।
ইসরাইলের চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, এই কেনাকাটার অর্থায়নে তেল আবিব তাদের ২০২৬ সালের ব্যয় পরিকল্পনা সংশোধন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পরিসংখ্যানগুলো সংঘাতের ক্রমবর্ধমান আর্থিক ক্ষতির চিত্র তুলে ধরছে। হোয়াইট হাউসের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কেভিন হ্যাসেট রোববার জানিয়েছেন, সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি (১২ বিলিয়ন) ডলার ব্যয় করেছে।
পেন্টাগন আলাদাভাবে হোয়াইট হাউসের কাছে ২০ হাজার কোটি (২০০ বিলিয়ন) ডলারের বেশি একটি সম্পূরক অর্থায়ন প্যাকেজ অনুমোদনের অনুরোধ জানিয়েছে, যা কংগ্রেসে পেশ করা হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা শুরু হয় এবং প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, এখন পর্যন্ত তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনীয়সহ প্রায় ১ হাজার ৩০০ মানুষ নিহত হয়েছেন।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর।