ঈদের তৃতীয় দিনে কক্সবাজারে জনসমুদ্র, ভ্রমণপিপাসুদের আনন্দ উচ্ছ্বাস

চিটাগং ট্রিবিউন ডেস্ক
পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে দেশের অন্যতম পর্যটন গন্তব্য কক্সবাজার। শনিবার (৩০ মে) ঈদের তৃতীয় দিনের শহরের সৈকত এলাকা জুড়ে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা, লাবণী পয়েন্টে সমুদ্র জলে নিজেদের ভিজিয়ে আনন্দ উপভোগ করেছেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত পর্যটকেরা। বন্ধু-বান্ধব, স্বজনদের সাথে নিয়ে ভ্রমণপিয়াসুরা মেতেছেন ঈদের আমেজে।
মেহেরপুরের গাংনী থেকে পরিবার নিয়ে বেড়াতে আসা রবিউল তালুকদার বলেন, ভ্রমণের জন্য বরাবরই আমাদের প্রথম পছন্দ কক্সবাজার, সুযোগ পেলেই চলে আসি। এখানে আসলে অন্যরকম এক ভালো লাগার অনুভূতি কাজ করে।
শুধু শহর এলাকায় নয়, কক্সবাজারের অন্যান্য দর্শনীয় স্থানগুলোতেও ঘুরে বেড়াচ্ছেন হাজারো পর্যটক। বিশেষ করে মেরিন ড্রাইভ, হিমছড়ি, সোনার পাড়া, ইনানী, পাটুয়ারটেক, রামুসহ জেলার পর্যটন স্পটগুলোও মানুষের কোলাহলে এখন জমজমাট।

ঢাকার পর্যটক খালেদ হোসেন জানালেন, কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। যুগের তালে এখানে বিশ্বমানের ব্যবস্থা থাকা দরকার যার কিছুটা হলেও কমতি রয়েছে। বিশেষ করে নিরাপত্তা ঝুঁকি, যানজট ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়গুলোতে সংশ্লিষ্টদের জোর দেওয়া উচিত।
উষ্ণ আবহাওয়ার কারণে মৌসুমের এ পর্যায়ে পর্যটক সমাগম নিয়ে শঙ্কা থাকলেও গত ২ দিন ধরে তুলনামূলকভাবে পর্যটক বেড়েছে।
হোটেল-মোটেল মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, প্রথম দিকে একটু পর্যটক কম ছিল, এখন তা বাড়ছে এবং জুনের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত চাপ থাকবে। বুকিং বলা চলে ৬০ শতাংশের মত। মৌসুমের দিকে ব্যবসায়ীরা মুখিয়ে থাকে যদিও রোজার ঈদের তুলনায় ব্যবসা কম।
পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা পুলিশসহ প্রশাসন সম্মিলিতভাবে কাজ করার কথা জানিয়েছে।
জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান জানান, কক্সবাজারে আগত পর্যটকেরা যেন নির্বিঘ্নে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে পারেন সে লক্ষ্যে সার্বিক নিরাপত্তাসহ যেকোনো সহযোগিতা প্রদানে প্রশাসন তৎপর রয়েছে।