প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ২৩, ২০২৬, ৬:৩৭ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ২৩, ২০২৬, ৯:১১ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারে ইয়াবাসহ যাত্রীবেশী দুই নারী ও অটোরিকশা চালক আটক
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার র্যাব ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে পৃথক অভিযানে ৩২ হাজার ইয়াবাসহ যাত্রীবেশী দুই নারী ও অটোরিকশার এক চালককে আটক হয়েছে। এসময় আটক চালকের অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন, র্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের সহকারি পরিচালক ( আইন ও গণমাধ্যম ) ও সহকারি পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।
তিনি বলেন, শনিবার সকালে টেকনাফের দিক থেকে যানবাহন যোগে মাদকের বড় একটি চালান পাচারের খবর পায় র্যাব। পরে র্যাবের ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ের পাশে ‘বসুন্ধরা অ্যামিউজমেন্ট পার্কের’ সামনে শহীদ এটিএম জাফর আলম আরাকান সড়কে একটি অস্থায়ী তল্লাশী চৌকি স্থাপন করে। এক পর্যায়ে টেকনাফ দিকে আসা অটোরিকশা সেখানে পৌঁছালে থামার জন্য নির্দেশ দেয়। এতে চালক গাড়ীটি দ্রুত চালিয়ে পালানোর চেষ্টা চালায়। এসময় র্যাব সদস্যরা ধাওয়া দিয়ে গাড়ী সহ চালককে আটক করতে সক্ষম হয়।
আটক মোজ্জামেল হক (৪৭) চকরিয়া উপজেলার হারবাংয়ের বাসিন্দা মোহাম্মদ মহসিনের ছেলে।
“ পরে তল্লাশী চালিয়ে গাড়ীতে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে বহন করা ২০ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়। “
এদিকে শনিবার বেলা ১২ টার দিকে একই স্থানে পৃথক আরেক অভিযানে ১২ হাজার ইয়াবাসহ অটোরিকশার যাত্রীবেশী মাদক পাচারকারি দুই নারীকে আটক করা হয়েছে বলে জানান, আ. ম. ফারুক।
আটক হলেন- রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ধোয়াপালং এলাকার মোহাম্মদ সোলেমানের মেয়ে মাজেদা আক্তার মমতাজ (৪৩) এবং উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের মরিচ্যা পালং এলাকার শামসুল আলমের মেয়ে বুলবুল আক্তার (৩৮)।
তিনি বলেন, দিনের প্রথম অভিযানের প্রাপ্ত তথ্যের আশানুরূপ সাফল্য না আসা র্যাব সদস্যরা সড়কের যানবাহনে তল্লাশী কার্যক্রম অব্যাহত রাখে। এক পর্যায়ে টেকনাফ দিকে আসা একটি অটোরিকশায় তল্লাশী চালানো হয়। এসময় গাড়ীতে থাকা দুই নারী যাত্রীর আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পুঙ্খানুপুঙ্খ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাদের সাথে থাকা ব্যাগ তল্লাশী চালিয়ে ৬ হাজার করে ১২ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়।
আটকদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে রামু থানায় পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান, সহকারি পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত