
চিটাগং ট্রিবিউন ডেস্ক
অসংখ্য মানুষের রক্তপাত ও প্রাণহানি ঘটিয়েও আওয়ামী লীগের মধ্যে কোন অনুশোচনা নেই। এখনো রক্তের দাগ শুকায় নাই। আওয়ামী লীগ কেন নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না, সেটা তাদের বুঝতে হবে। তবে নাগরিক হিসেবে আওয়ামী লীগের সমর্থকরা ভোট দিতে পারবে। আওয়ামী লীগ তাদের অপকর্মের জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাইলে, অনুতপ্ত হলে ক্ষমা পেতে পারে। পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লিতে বসে দেশের বিরুদ্ধে কথা বলছে, ষড়যন্ত্র করছে, সংবাদ সম্মেলন করছে, এতে কোন কাজ হবে না। তিনি এতো শক্তিশালী হলে কেন পালিয়ে গেলেন। জনগণ তাকে চায়নি বলেই পালাতে হয়েছে। তার আমলে প্রহসন হয়েছে, নির্বাচন হয়নি বলেই বিপ্লব হয়েছে। প্রতিবেশী দেশ বলেছিল এদেশে কোন সরকার বসতে পারবে না, কাজ করতে পারবে না। তারা শপথ নিয়েছিল এদেশের মানুষকে শান্তিতে রাখবে না। তাদের এ আশা দুরাশায় পরিণত হয়েছে। তাদের কোন চাপেই কাজ হয়নি। গণভোটে ‘হঁ্যা’ ব্যর্থর্ হলে জনগণের দীর্ঘ দিনের আকাঙ্খা ভেস্তে যাবে। নির্বাচন ভন্ডুল হবার কোন শঙ্কা নেই। জনগণ সচেতন হলে নির্বাচন বানচালে কোন বাধা ও ষড়যন্ত্রে কাজ হবে না। আজ (২৫ জানুয়ারি) এফডিসিতে গণভোট ও সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র অয়োজনে নির্বাচনী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মো. আবদুল মতিন বক্তব্যে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
“আসন্ন গণভোট ও সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাই প্রধান” শীর্ষক ছায়া সংসদে তেজগাঁও কলেজের বিতার্কিকদের পরাজিত করে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ’র বিতার্কিকগণ বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, সিনিয়ার সাংবাদিক মাঈনুল আলম, সাংবাদিক মশিউর রহমান খান, সাংবাদিক আফরিন জাহান ও সাংবাদিক জাকির হোসেন লিটন। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।
