সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ লেবাননে ‘ইয়েলো লাইনে’র দক্ষিণে অবস্থানরত আমাদের সেনারা কিছু সন্ত্রাসীকে শনাক্ত করেছে। তারা যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে উত্তর দিক থেকে আমাদের বাহিনীর দিকে এমনভাবে এগিয়ে আসছিল যা তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করে।’
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এই প্রথম ইসরায়েল লেবাননে এ ধরনের কোনো সীমারেখার কথা উল্লেখ করল। গত ১০ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডটি একটি ‘ইয়েলো লাইন’ দ্বারা বিভক্ত।
এদিকে যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলা ও গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। এতে কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। একই সময়ে সীমান্তের কাছাকাছি কৌশলগত কিছু এলাকা দখলের কথাও জানিয়েছে ইসরায়েল।
এছাড়াও, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ইউনিফিলের ওপর হামলায় এক ফরাসি সেনা নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রা এ ঘটনাকে অগ্রহণযোগ্য উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে রাজনৈতিকভাবে যুদ্ধবিরতির পর সরাসরি আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে লেবানন। প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ও প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনা এগিয়ে নিতে চান। তবে হিজবুল্লাহ এ প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করছে।