সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নাগরিক অধিকার সুরক্ষা এবং আঞ্চলিক সম্ভাবনাকে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে চট্টগ্রামে “বে অফ বেঙ্গল পিপলস নেটওয়ার্ক” নামে একটি নতুন সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়েছে।
গত ১৬ মার্চ সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
প্রাকৃতিক সম্পদ, সামাজিক ঐতিহ্য, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য সুপরিচিত বাংলাদেশের চট্টগ্রাম তথা বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে দেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। প্রাচীন সময় থেকে শুরু করে উপনিবেশবিরোধী আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের বিভিন্ন গণআন্দোলনে এই অঞ্চলের মানুষের সক্রিয় ও নেতৃত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। সর্বশেষ জুলাই অভ্যুত্থানেও এই অঞ্চলের মানুষের সাহসী অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।
তবে সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের কেন্দ্রীয় আলোচনা ও নীতিনির্ধারণে এই অঞ্চল তার অবদান ও সম্ভাবনার তুলনায় অনেক সময় অবহেলিত থেকে যায়। অর্থনীতি, অবকাঠামো, রাজনীতি ও উন্নয়নসংক্রান্ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তই স্থানীয় জনগণের মতামত ছাড়াই কেন্দ্র থেকে নির্ধারিত হয়। অনেক ক্ষেত্রে ঢাকাকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে আঞ্চলিক বাস্তবতা ও স্বার্থ যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না।
এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের মানুষের স্বার্থ, অধিকার ও সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে এবং একটি বৈষম্যহীন ও বিকেন্দ্রীকরণভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে বে অফ বেঙ্গল পিপলস নেটওয়ার্ক তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে।
কেন্দ্রীয় প্রস্তুতি কমিটি
সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের লক্ষ্যে একটি কেন্দ্রীয় প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মুখপাত্র:
চৌধুরী সিয়াম ইলাহী
সংগঠকবৃন্দ:
মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম
সৈয়দা রোকসানা আক্তার অপু
মাহমুদুর রহমান
জাহিদুল হক অনিক
ইসরাত জাহান
বিলকিস জাহান
মো. হাবিব বিন করিম
মুহাম্মদ ওমর ফারুক নয়ন
মঈনুদ্দিন আল নোমান বকশী
নূরে আবরার রাজিন (দপ্তর)
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী এক মাসের মধ্যে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে থাকা সংস্কৃতিমনা, সমাজসচেতন এবং জনঅধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার ছাত্র, যুব, নারী, শ্রমিক, পেশাজীবী, আলেম ও প্রবীণ নাগরিকদের সম্পৃক্ত করে একটি পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ও উপদেষ্টা পর্ষদ ঘোষণা করা হবে।
এছাড়া সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন উপকমিটি, সেল, টাস্কফোর্স ও সমন্বয় কমিটি গঠন করা হবে এবং কেন্দ্রীয় প্রস্তুতি কমিটির সদস্যসংখ্যাও বৃদ্ধি করা হতে পারে।