
চিটাগং ট্রিবিউন ডেস্ক
জারিন জাবিন নামে এয়ার হোস্টেসের সঙ্গে আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনানের সম্পর্কের অভিযোগের পর এবার তাদের ছবি প্রকাশ করেছেন ত্বহার দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিকুন নাহার।
তৃতীয় আরেকটি মেয়ে প্রসঙ্গে বলেন, ‘তারপর আবার আরেক মেয়েকে মাদ্রাসা করে দেয়া সঙ্গত কারণেই এ মেয়ের ডিটেইলস বললাম না স্থানও না। কারণ মেয়েটার বিয়ে হয়ে গিয়েছে জানি। এদের সবার সাথে তার হালাল সম্পর্ক! ওকে মেনেও যদি নেই তবুও কি তার এভাবে মেয়েদের সাথে নানা ইস্যু ক্রিয়েট করে জুড়ে থাকা উচিত? যেখানে সে নিজেই বলে তার নারী সংক্রান্ত সমস্যা আছে, মাহরাম দেখলেও প্রবলেম হয়।
শোয়াইব হুজুর আছে একজন তাকে সে এসব শেয়ারও করেছে, আমি জানি কেউই মুখ খুলবেনা, কারণ আপনাদের গালি খেতে চায়না কেউ। প্রয়োজনে সত্য মরে যাক মিথ্যার জয় হোক তবুও তারা কেউই কথা বলবেনা।’
রাস্তায় মেয়ে দেখলেও মাশাল্লাহ বলেন ত্বহা, এমনই অভিযোগ সাবিকুন নাহারের।
তিনি বলেন, ‘রাস্তায় মেয়ে দেখলে আমি পাশে থাকা সত্ত্বেও সুবহানাল্লাহ, মাশাল্লাহ বলা ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকা তার এ ক্যারেক্টার এর কথা কে না জানে। কিন্তু কেউ বলবেনা। তাঁর নজর হেফাজত না করার কারণে সে ধ্বংস হয়েছে। আমি আমার পরিবার আমার গোছানো সংসার আমার দুটো বেবি ছন্নছাড়া আজ। আমি তার জন্য কি করিনি! ৫ বছরের সংসার জীবনে আজও তাকে আমি নতুন বরের মতো ট্রিট করি, সাজাই, এতোকিছুর পরও সবঠিক হয়ে যাওয়ার আশায় রঙিন রেখেছিলাম। তার কেনো কারো প্রেম লাগবে, প্রেমিকা লাগবে! সে মানুষকে বলে আমি তাকে কষ্ট দিয়েছি এর উত্তর কি জানেন! যে পুরুষের চোখে নতুন নারীর লিপ্সা তার জন্য নিজ স্ত্রীর অগাধ ভালোবাসাই যন্ত্রণা।’
কাজের মেয়ের সঙ্গেও কথা বলেন জানিয়ে সাবিকুন নাহার বলেন, পাশে থাকতে চাওয়াই যন্ত্রণা, কাছে থাকাই যন্ত্রণা। দ্যান আরেক মেয়ে আমার মাদ্রাসায় নার্সারির বাচ্চাদের পড়ায় আবার আমার বাসায়ও কাজ করে সে মেয়েকে টাকা হাদিয়া দেয় কিছু লাগলে তাকে বলতে বলে তার নাম্বার দেয়। তারপর থেকে শুরু হয় এ মেয়ের সাথে। মেয়ে কাজে আসলে তার অস্থিরতা শুরু হয়ে যায়। আমি কিছুটা গেস করি কিন্তু বাদ দেই। অতঃপর একদিন আমার সাথে মনোমালিন্য হওয়ায় আমাকে আদনান সাহেব থ্রেট দেয় ‘এমন কিছু করবো যা কল্পনাও করতে পারবা না’। আমি কিছুটা সন্দেহ করি। তারপর তার ফোনে দেখি এ কাজের মেয়ে সাথে ১৮ মিনিট কথা, এ মেয়ের আবার সেকি অভিমান ভরা মেসেজ যেখানে লিখা আমি আপনার উপর রাগ আছি।
