প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ১৩, ২০২৬, ১২:৪০ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ১৩, ২০২৬, ২:৪৩ অপরাহ্ণ
ঢাকার ধানমন্ডিতে অপহরণের ৭ দিন পর স্কুলছাত্রীকে কক্সবাজার থেকে উদ্ধার, ২ অপহরণকারি গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ঢাকার ধানমন্ডিতে অপহরণের সাতদিন পর স্কুলছাত্রীকে কক্সবাজার থেকে উদ্ধার এবং ঘটনার মূলহোতা সহ দুই অপহরণকারিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
মঙ্গলবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান, র্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের সহকারি পরিচালক ( আইন ও গণমাধ্যম ) ও সহকারি পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।
গ্রেপ্তাররা হল- ঢাকার উত্তরা থানার আটিপাড়া এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে তাওহীদ মোহাম্মদ মোস্তাকিম (৩৩) এবং কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোরশেদ আলমের ছেলে মো. আবু সাঈদ (২৪)।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী (১৫) ঢাকার ম্যাপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।
ঢাকার ধানমন্ডি থানায় দায়ের মামলার নথির বরাতে আ. ম. ফারুক বলেন, গত ০৬ মে ঢাকার ধানমন্ডির ১৩/এ রোডের নিজ বাসার সামনে থেকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক একটি সাদা রঙের হাইয়েস গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় একদল দুর্বৃত্ত। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার ধানমন্ডি মডেল থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। চাঞ্চল্যকর এই অপহরণের ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রচারিত হলে সারাদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। ঘটনাটি র্যাবের নজরে আসার পর থেকেই অপহৃত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়।
মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী সহ ঘটনায় জড়িত কয়েকজন আসামি কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের লিংকরোড এলাকার বাংলাদেশ বেতার কক্সবাজার আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে একটি বাসায় অবস্থানের খবর পায় র্যাব। পরে র্যাবের একটি দল সন্দেহজনক বাসাটি ঘিরে ফেললে ২/৩ জন লোক কৌশলে পালানোর চেষ্টা চালায়। এসময় ধাওয়া দিয়ে ২ জনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলেও অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে বাসাটি তল্লাশী করে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামিদের প্রাথমিক স্বীকারোক্তির বরাতে র্যাবের এ গণমাধ্যম কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তার আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। আসামি তাওহীদ মোহাম্মদ মোস্তাকিমের প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সহযোগীদের সহায়তায় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে কক্সবাজারে নিয়ে আসে।
উদ্ধার ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর এবং গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান, সহকারি পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত