জনপ্রশাসন সচিবের গুরুত্বপূর্ণ পদটি তিন সপ্তাহ শূন্য থাকার পর রোববার এহছানুল হককে সেই দায়িত্ব দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এত দিন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে দায়িত্বরত ছিলেন।
এদিন দুপুরের দিকে দপ্তরে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এহছানুল হক বলেন, তিনি ‘দলীয় নির্দেশনার ঊর্ধ্বে উঠে’ দায়িত্ব পালন করবেন।
“আমি কখনো কোনো দলীয় নির্দেশে কাজ করিনি। এখনো করি না, ভবিষ্যতেও করব না।”
এহছানুল হক ১৯৮৩ সালে নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০১-০৬ সময়ে বিএনপি সরকারের আমলে তিনি জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব, ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৭-০৮ সময়ে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
নির্বাচনের আগে মাঠ প্রশাসনের ডিসি ইউএনও পদে কোনো পরিবর্তন আসবে কিনা জানতে চাইলে এহছানুল হক বলেন, “এটা নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা দেশের বাইরে গেছেন। এছাড়া প্রশাসনিক একটা কমিটি আছে। সবার সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেব।
“আমরা ৮২ ব্যাচের অফিসাররা নিরপেক্ষ নির্বাচন করেছি। আশা করি আমার অফিসাররাও নিরপেক্ষ নির্বাচন করবে। যদি কেউ নিরপেক্ষ নির্বাচন না করে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব, তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব। কোনো অফিসারের যদি দলীয় সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, উনাকে নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখব।”