স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পদ খালি থাকায় ২৭০১ জন কনস্টেবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করবে সরকার। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানদের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যাচাই-বাছাই করে পুলিশে এসপি-ওসি বদলি করতে হয়। লটারির মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার দিয়েছিল, সেটা ঠিক ছিল না। এভাবে বদলি যথাযথ হয় না। সেসব জায়গায় যোগ্যদের বসানো হবে। ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে পুলিশ নিয়োগে অনিয়ম খতিয়ে দেখা হবে। তবে এর মাধ্যমে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেটা দেখা হবে। পাশাপাশি ২০০৬ সালে নিয়োগবঞ্চিত এসআইরা ন্যায়বিচার পাবেন।
তিনি বলেন, প্রথম অগ্রাধিকার দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও জনগণের স্বস্তি প্রদান। এ জন্য ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় যেসব অস্ত্রের লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে, তা ভেরিফিকেশন করা হবে। তা যথাযথ ছিল কিনা দেখা হবে। খুব দ্রুততার সাথে এটা করা হবে। আইন অনুসারে তারা লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্য কিনা, তা দেখা হবে। রাজনৈতিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য পেয়ে থাকলে লাইসেন্স বাতিল ও অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, পুলিশের কাজে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। আবার পুলিশও জবাবদিহিতার আওতায় থাকবে। পাশাপাশি পুলিশ আইনের বাইরে কোনো প্রটোকল দিতে পারবেনা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ৫ আগস্টের পর ব্যবসায়ীসহ অনেকের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা হয়েছে। সেসব যাচাই করে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করা হবে। এছাড়া বিডিআর বিদ্রোহের জন্য আরেকটি কমিশন করা হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মব কালচার শেষ। কিন্তু এরকম হলে কঠোর অ্যাকশনে যাবে সরকার। যৌক্তিক দাবি ছাড়া রাস্তা বন্ধ করা যাবে না। মব করে দাবি আদায়ের দিন শেষ।
তিনি আরও বলেন, পাসপোর্ট অফিস এবং ভূমি সেবায় হয়রানি বন্ধ করার জন্য বেসরকারি সহায়তাকারী আউটসোর্সিং করার পরিকল্পনা আছে। এর ফলে কর্মসংস্থান হবে বলেও মন্তব্য তার।