জাতিসংঘের অধীনে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে থেকে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিতে পুলিশ লাঠিপেটা, কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের, রাকসু জিএস আম্মার, ডাকসু নেত্রী জুমাসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন।
পরে শাহবাগে কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নেতাদের আহ্বান এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে আন্দোলনকারীরা এ সিদ্ধান্ত নেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দিয়ে আন্দোলনকারীরা শাহবাগ মোড় ছেড়ে যান। এর পর থেকেই গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক মোড়ে যান চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
সেসময় ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দাবি আদায়ে ভবিষ্যতে আরও সুসংগঠিত কর্মসূচি দেয়া হবে। তবে আপাতত জনস্বার্থ বিবেচনায় আজকের (শুক্রবার) কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে।