
ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি,
কক্সবাজারে উখিয়ার পালংখালী সীমান্তে সন্দেহজনক বেশ কিছু বসত ঘরে চোরাচালান বিরোধী অভিযান চালিয়েছে বিজিবি; এসময় সাতটি বসত ঘর থেকে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা ৯০ বস্তা সার ও ৮০ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়েছে।
এদিকে অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে সীমান্ত এলাকার বেশ কিছু সংখ্যক বসত ঘরের লোকজন দরজা তালাবদ্ধ রেখে সটকে পড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি করেছে।
শনিবার বিকাল ৩ টা থেকে সাড়ে ৫ টা পর্যন্ত উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমান পাড়া সীমান্তে এ অভিযান চালানো হয় বলে জানান, বিজিবির উখিয়া ৬৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।
তিনি জানান, সম্প্রতি উথিয়া সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্রের বেশ কিছু সদস্য সক্রিয় হয়ে উঠেছে। শনিবার দুপুরে উখিয়ায় পালংখালীর আঞ্জুমান পাড়া সহ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকার কিছু সংখ্যক বসত ঘরে পাচারের উদ্দেশ্যে চোরাইপণ্য মজুদের খবর পায় বিজিবি। পরে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি অফিসার কার্যালয়ের সহায়তায় বিজিবির একটি দল অভিযান চালায়। এসময় আঞ্জুমান পাড়া সীমান্তে মো. কালু নামের জনৈক ব্যক্তির বসত ঘরে তল্লাশী চালিয়ে ২১ বস্তা ইউরিয়া সার উদ্ধার করা হয়। খবরটি এলাকার আশপাশে ছড়িয়ে পড়লে সন্দেহজনক কিছু বসত ঘরের লোকজন দরজায় তালা লাগিয়ে সটকে পড়ে।
পরে একে একে ৭ টি বসত ঘর তল্লাশী চালিয়ে ৯০ বস্তা সার ও ৮০ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়েছে।
অভিযানের ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি কর্মকর্তা কার্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পালংখালী সীমান্তে গোপন আস্তানায় সার সহ কিছু পরিমান চোরাইপণ্য মজুদের খবরে বিজিবির সহায়তায় এ অভিযান চালানো হয়। এতে অভিযানে জব্দ হওয়া চোরাইপণ্যের বসত ঘরগুলোর লোকজন দরজা তালাবদ্ধ রেখে সটকে পড়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বিজিবির লে. কর্নেল জহিরুল ইসলাম জানান, অভিযানে জব্দ হওয়া চোরাইপণ্যের মালিকদের ব্যাপারে বিজিবি তথ্য সংগ্রহের কাজ অব্যাহত রেখেছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
জব্দ করা চোরাই পণ্যগুলো উখিয়ার ঘাটস্থ শুল্ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে মজুদ রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
