বৈঠকে আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, সংগঠিত অভিবাসন অপরাধ দমন এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র ও উন্নয়ন সহযোগী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়বে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মতান্ত্রিক প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের পাঠানো ‘ইউকে লেটার’-এর প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
আলোচনায় অভিবাসন অপরাধ প্রতিরোধ, পুলিশ রেফারেল প্রোগ্রাম, অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং তা পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাওয়া হয়। এ সময় রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য যুক্তরাজ্যকে ধন্যবাদ জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।