প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ৫, ২০২৬, ৭:৫২ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ
বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেয়ায় যুক্তি-পাল্টা যুক্তি
বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেয়ায় রয়েছে যুক্তি-পাল্টা যুক্তি। এ নিয়ে মতভেদ রয়েছে আইনজীবীদের মধ্যেও। কেউ কেউ বলছেন, একটি শপথ নিয়ে বিএনপি জনগণের রায় উপেক্ষা করেছে। তবে অন্যরাবলছেন, সংবিধানে এ সংক্রান্ত কিছু না থাকায় বিএনপির শপথ না নেয়ার সিদ্ধান্তটিই যুক্তিযুক্ত।
গত ১৩ নভেম্বর জারি হওয়া জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অধ্যাদেশে ৭ নম্বর ধারায় বলা হয়, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হবে।
অধ্যাদেশের ৮ ধারায় বলা হয়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেয়ার পর একই অনুষ্ঠানে শপথ নেবেন সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যরা। তবে এ নিয়ে বিপত্তি বাঁধে শপথের দিনই। বিএনপির পক্ষ থেকেবলা হয় এটি সংবিধানে না থাকায় তারা কেবল সংসদ সদস্য হিসেবেই শপথ নেবেন। গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলে সেটা আগে সংবিধানে ধারণ করতে হবে।
সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য ব্যারিস্টার শরীফ ভূঁইয়া বলেছেন, ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে গণভোটের রায়কে উপেক্ষা করেছে বিএনপি। এটা সাংবিধানিকভাবেও ভুল এবং রাজনৈতিকভাবেও একটাভুল। জনগণের মেন্ডেটের উপরে যদি আপনি সংবিধানকে স্থান দিতে চান, তখন তো সংবিধানকে এক ধরনের ধর্মীয় গ্রন্থের পর্যায়ে নিয়ে যেতে চেষ্টা করছেন। এটা কিন্তু বিগত আওয়ামী লীগ সরকার করেছিল।’
তবে বিএনপির আইনজীবীরা বলেছেন, সংসদ কার্যকর হওয়ার পরেও সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা যেতে পারে। আর সেটাই হবে সাংবিধানিক পদ্ধতি।
এদিকে গণভোট ও জুলাই সনদকে অসাংবিধানিক দাবি করে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেউচ্চ আদালতে দুটি রিট হয়েছে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত