প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ৩, ২০২৬, ১:৫৩ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ৩, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরঃ চুক্তি সম্পাদনের বছর পর জেটি ও টার্মিনালসহ অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু
চিটাগং ট্রিবিউন ডেস্ক
চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার একবছর পর অবশেষে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরের জেটি ও টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। আজ রবিবার (৩ মে) থেকে এই নির্মাণযজ্ঞ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো–অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) সহযোগিতায় প্রায় ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির প্যাকেজ-১ বাস্তবায়নের কাজ পেয়েছে জাপানভিত্তিক দুই নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পেন্টা ওশান এবং টোয়া কর্পোরেশন। গতবছরের এপ্রিলে সংস্থা দুটির সাথে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চুক্তি সম্পাদন করা হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, জাপান থেকে আনা বিশালাকারের বিশেষায়িত একটি ড্রেজার দিয়ে ড্রেজিং করে ২৫ কোটি ঘনফুটের বেশি মাটি ও বালি উত্তোলন করা হবে, যা দিয়ে প্রকল্প এলাকা ভরাট করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য বেশ কিছু মাটি সংরক্ষণ করা হবে।
বিশাল এই প্রকল্পের মাধ্যমে দুটি জেটি, টার্মিনাল এবং ব্যাকইয়ার্ড ফ্যাসিলিটি গড়ে তোলা হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান দুটি যৌথভাবে আগামী ৪ বছরের মধ্যে ৪৬০ মিটার দীর্ঘ একটি কন্টেনার জেটি এবং ৩০০ মিটার দীর্ঘ মাল্টিপারপাস জেটি নির্মাণ করবে।
মহেশখালীর ১ হাজার ৩০ একর জায়গায় বহুল প্রত্যাশার মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে, পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নে ২৪ হাজার ৩৮১ কোটি টাকা সম্ভাব্য ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম
বলেন, ‘ প্যাকেজ-১ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরে ২০২৯ সালে ১১ লাখ এবং ২০৪১ সালে ২৬ লাখ টিইইউএস কন্টেনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে।’
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৯ সালে প্রকল্পের কাজ শেষ করার মাধ্যমে ২০৩০ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে এই গভীর সমুদ্রবন্দর পরিচালিত হবে বলে আশা করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত