
চিটাগং ট্রিবিউন ডেস্ক
ইরানের পতাকাবাহী একটি কার্গো জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ও জব্দ করার পর ইরান একাধিক মার্কিন জাহাজে ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ও মার্কিন কর্মকর্তারা।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানায়, মার্কিন বাহিনী টোসকা নামের কন্টেইনার জাহাজে উঠে পড়ার পর ইরান ড্রোন মোতায়েন করে মার্কিন জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। তবে লক্ষ্যবস্তু সামরিক না বাণিজ্যিক—তা স্পষ্ট করা হয়নি।
এর আগে ইরান নিশ্চিত করেছিল, যুক্তরাষ্ট্র তাদের জাহাজটি জব্দ করেছে এবং এটিকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করে শিগগিরই প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেয়।
আরেক আধা-সরকারি সংস্থা ফার্স নিউজ জানায়, “খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স” বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র জাহাজটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, এর ন্যাভিগেশন ব্যবস্থা অচল করে এবং পরে জাহাজে উঠে পড়ে।
জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, “টোসকা” ১২ এপ্রিল মালয়েশিয়ার পোর্ট ক্লাং বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল।
ইরানের সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি বলেন, জাহাজে ওঠার আগে মার্কিন বাহিনী গুলি চালায়।
ঘটনাটি প্রথমে রোববার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন এবং পরে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড তা নিশ্চিত করে। তারা জানায়, “ইউএসএস স্প্রুয়ান্স” যুদ্ধজাহাজ ওমান উপসাগরে ইরানি পতাকাবাহী জাহাজটিকে আটকে দেয়, কারণ এটি মার্কিন নৌ-অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করছিল।
সেন্টকম জানায়, মার্কিন মেরিনরা এখনো জাহাজটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং এটি ইরানের বন্দর আব্বাসের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল।
