মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যে নতুন করে উত্তেজনার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাম্প্রতিক মন্তব্য ও পদক্ষেপ কিউবার ওপর সম্ভাব্য সামরিক চাপ বা হামলার আভাস তৈরি করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসন কিউবার সরকারের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে এবং বিষয়টি বাস্তবে সামরিক পদক্ষেপে রূপ নিতে পারে—এমন আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে কিউবার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ, নজরদারি বিমান অভিযান বৃদ্ধি এবং সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর ইঙ্গিত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
উল্লেখ্য, ১৯৬২ সালের কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকট–এর পর কিউবা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। সেই সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবায় পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করলে যুক্তরাষ্ট্র নৌ-অবরোধ আরোপ করে এবং বিশ্ব প্রায় পরমাণু যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া অবস্থান ও কিউবার পাল্টা প্রতিক্রিয়া নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কিউবা সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক চাপ সাধারণ মানুষের ওপর “সমষ্টিগত শাস্তি” হিসেবে কাজ করছে। দেশটি ইতোমধ্যে জ্বালানি সংকটসহ নানা অর্থনৈতিক চাপে রয়েছে।