ইরানের দেওয়া সেই প্রতিশোধের ঘোষণার পরপরই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি) ইসরায়েলে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কয়েক গুণ জোরালো করেছে। এই হামলায় ইসরায়েলের তেল আবিব জেলায় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে অন্তত দুই জন নিহত হয়েছেন এবং আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন।
তেহরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা খোররামশাহর-৪ এবং খায়বার শেকানের মতো অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইসরায়েলের সামরিক ও নিরাপত্তা লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানছে। লারিজানির দাফনের দিনই ইরানের এই বিধ্বংসী পাল্টা আক্রমণ যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।
এদিকে ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১৯২ জন ইসরায়েলি নাগরিক আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে চার জনের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক এবং বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের একটি এক্স বার্তার তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৭২৭ জন ইসরায়েলি আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। ইরানের এই দুই শীর্ষ নেতার জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানের পর তেহরান তাদের সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত করবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ বিরাজ করছে।
সূত্র: আল জাজিরা