গত ৮ এপ্রিল বৈরুতের একটি ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় দিপালী বেগম গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রফিক হারিরি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সরকারি ব্যবস্থাপনায় অ্যাম্বুলেন্সে করে দিপালী বেগমের মরদেহ নিয়ে রাতেই বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন পরিবারের সদস্যরা। লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার দোহার উপজেলার মৈনট ঘাট পর্যন্ত পৌঁছাতে গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে তিনটা বেজে যায়। সেখানে ভোর হওয়ার অপেক্ষা করেন তাঁরা। পরে সকাল ছয়টার দিকে ট্রলারে করে রওনা হয়ে তাঁরা পৌঁছান চরভদ্রাসনের আদারচর ঘাটে। সেখান থেকে ঘোড়ার গাড়িতে করে দিপালীর মরদেহ নেওয়া হয় চরভদ্রাসন উপজেলার পূর্ব শালেপুর মুন্সিরচর গ্রামের বাড়িতে। তখন সকাল সাড়ে সাতটা বাজে।
মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তরের পর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘কোনো কিছুর বিনিময়ে জীবিত দিপালীকে আর ফেরত আনা যাবে না, সেটা আমরা বুঝি। আমরা দিপালী বেগমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। সরকারের পক্ষ থেকে পরিবারের জন্য আরও যদি কিছু করার থাকে, আমরা সে বিষয়ে সচেষ্ট আছি। ইনশা আল্লাহ, আমরা সব সময় দিপালীর পরিবারের পাশে আছি।’
মরদেহ দেশে আনতে বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথম কথা যুদ্ধ চলমান ছিল। আমাদের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে মরদেহ ফেরত আনতে হয়। এ জন্য ফ্লাইট সচল থাকতে হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে সৌদি আরবের সাহায্য নিতে হয়। যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করায় বিভিন্ন দেশের সরকারের নিয়মকানুন ও আনুষ্ঠানিকতা মেনে মরদেহ আনতে গিয়েই সময় লাগছে। তবে আমরা দ্রুততম সময়ে আনার চেষ্টা করেছি।’