সাদেক বলেন, এ সময় বন্ধু সাব্বির তাকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে স্থানীয়দের চেষ্টায় লাল বোট দিয়ে দুজনকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু উদ্ধারের পর সাব্বিরের জ্ঞান ফিরলেও মেরাজের জ্ঞান ফিরেনি। পরে তাকে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
তিনি আরও বলেন, যে স্থানে তারা সাঁতার কাটতে গিয়েছিল সেখান থেকে ফেরিঘাট নির্মাণের জন্য ড্রেজি করে বালু উত্তোলন করা হয়। গভীরতার কারণে এই পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বাঁশবাড়িয়া সমুদ্রসৈকত এলাকায় প্রতিদিন শত শত পর্যটক বেড়াতে আসেন। কিন্তু ড্রেজিং করার স্থানগুলোতে বিপদ সংকেত দেওয়া থাকলে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটত না।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন বলেন, মোহাম্মদ মেহেরাজ নামের এক পর্যটককে সন্ধ্যার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়, কিন্তু সে তার আগেই মারা যায়। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।