দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের ভাষ্যমতে, ১০০টি আসনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করে সেখানে একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে সরাসরি আলোচনা করছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। এই প্রক্রিয়ায় মাঠপর্যায়ের নেতাদের সঙ্গেও মতবিনিময় চলছে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আব্দিন ফারুক বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। ১৬ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের পর আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের আশায় কাজ করছি। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় সিনিয়র নেতারা ইতিমধ্যেই প্রার্থী যাচাইয়ের কাজ করছেন।”
তিনি আরও বলেন, “২০১৮ সালের নির্বাচনের সময়ও দেখা গেছে, প্রার্থী মনোনয়ন ঘোষণার পর সবাই এককভাবে কাজ করেছেন। আমাদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই নমিনেশন ঘোষণার পর সবাই ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।”
ত্যাগী নেতাদের উপেক্ষার অভিযোগ প্রসঙ্গে ফারুক বলেন, “এ অভিযোগ ভিত্তিহীন। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া জীবিত আছেন, আর তারেক রহমান দেশের বাইরে থেকেও সংগঠনকে শক্তিশালী করেছেন। তিনি নিজে পর্যবেক্ষণ করে যোগ্য প্রার্থীদের বেছে নিচ্ছেন। কোনো অনৈক্য নেই, সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে।”
তিনি আরও জানান, সারাদেশকে ১০টি সাংগঠনিক বিভাগে ভাগ করে প্রার্থী বাছাই করা হচ্ছে এবং প্রতিটি অঞ্চলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তারেক রহমান সরাসরি আলাপ করেছেন। তার এই নির্দেশনাকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ভাষণের পর বিএনপির যে কয়জন প্রার্থীই থাকুক না কেন, অনৈক্য হবে না সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামবে।”