খুতবা শেষে হাজিরা একসঙ্গে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করেন। পরে তারা মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখানে রাতযাপন ও শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের জন্য পাথর সংগ্রহ করবেন।
এরপর আগামীকাল ১০ জিলহজ মিনায় জামারায় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের মধ্য দিয়ে ঈদুল আজহার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানির মাধ্যমে ঈদুল আজহার আনুষ্ঠানিকতা পালন করবেন।
এদিকে, হাজিদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সৌদি কর্তৃপক্ষ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। হাজিদের পরিবহনে ব্যবহার করা হচ্ছে প্রায় ২৪ হাজার বাস।