ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদনকারী কুকি-চিন এজেন্ট: এক্স-ফোর্সেস

চিটাগং ট্রিবিউন ডেস্ক
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় অবহেলার অভিযোগ তুলে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদনকারী উসাইমং মারমাকে কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) এজেন্ট বলে দাবি করেছে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন।
বুধবার (১৩ মে) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ‘সশস্ত্র বাহিনীর মর্যাদা, মনোবল ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন’ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন সংগঠনটির সভাপতি লেফটেন্যান্ট (অব.) সাইফুল্লাহ খান সাইফ।
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় মামলার আবেদন বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামলাটা কত মাস পরে করা হয়েছে? মামলা করেছে কে? আপনি (সাংবাদিক) তার নাম জানেন? উসাইমং মারমা। আমি আপনাকে একটু বলবো, পারসোনালি অনুরোধও করবো—উসাইমং মারমা কে, তার ব্যাকগ্রাউন্ড কী, সে কোথায় থাকে, উনার সম্পর্কে একটু খোঁজ-খবর নেন। আমি ক্লু দিলাম এতটুকুই।
সাইফুল্লাহ খান সাইফ বলেন, কিছুদিন আগেও সন্তু লারমার স্ত্রী কানাডায় একটা কনফারেন্স করেছে। ওইখানে সে মিথ্যা তথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সশস্ত্র বাহিনী পাহাড়ে এই হয়েছে ওই হয়েছে বলেছে। এটা হলো (মামলার আবেদনকারী) কুকি-চিন এই যে তারা আছে, এদেরই একটা এজেন্ট, মানে অংশ। আমি শুধু এতটুকু ক্লু দিলাম, বাকিটা আপনি আরও ভালো ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্ট আই থিংক সো, আপনি আরও ভালো বের করতে পারবেন।
কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) হলো পার্বত্য চট্টগ্রামে সক্রিয় একটি নিষিদ্ধ জাতিগত সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী সংগঠন। কুকি-চিন পার্বত্য চট্টগ্রামে জামায়াতুল ইসলামী আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বিয়াকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে। ২০২৩ সালের ১১ থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বান্দরবান জেলা প্রশাসন জেলার নিরাপত্তা বাহিনীর কেএনএ বিরুদ্ধে অভিযানের কারণে জেলার পর্যটকদের নিষিদ্ধ করেছিল। কুকি-চিনের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে সশস্ত্র বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা প্রাণ হারিয়েছেন, আহত হয়েছেন অনেকে।
গত ৭ মে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত।
বিমানবাহিনীর সঙ্গে ‘চরমপন্থাকে’ জড়ানো এই ষড়যন্ত্রের অংশ বলে উল্লেখ করেন সাইফুল্লাহ খান।