মঙ্গলবার, মে ৫, ২০২৬

জীবন দিয়ে হলেও সীমান্ত রক্ষা করব’— বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে ফেলানীর ভাই

চিটাগং ট্রিবিউন ডেস্ক

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবিতে নিয়োগ পেয়েছেন ফেলানীর ছোট ভাই আরফান হোসেন। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিজিবির ১০৪তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনীতে শপথ নেন তিনি।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ‎বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা এলাকায় গুলি করে হত্যা করে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখা হয় ফেলানী খাতুনকে। সে ঘটনায় সেসময় গোটা দেশ তোলপাড় হয়, আজো আলোচনা হয়।

হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১৫ বছর পর বিজিবিতে নিয়োগ পেলেন ফেলানীর ছোট ভাই আরফান।‎

আজ চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বাইতুল ইজ্জতে অবস্থিত বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজের (বিজিটিসিএন্ডসি) ঐতিহ্যবাহী ‘বীর উত্তম মজিবুর রহমান প্যারেড গ্রাউন্ডে’ নবীন সৈনিকদের শপথগ্রহণ এবং কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠান শেষে আরফান হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, ২০১১ সালে আমার বয়স ছিল ৬-৭ বছর। তখন আমার বড় বোন ফেলানীকে হত্যা করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের পর আমার বোনের মরদেহ কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এরপর থেকেই আমার মা-বাবার ইচ্ছা ছিল আমি যেন বিজিবিতে বা দেশের জন্য কাজ করতে পারি। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমি নিজেকে গড়ে তুলি এবং বিজিবিতে যোগদান করি।

তিনি ‎আরো জানান, তারা তিন ভাই ও দুই বোন।

সর্বাধিক পঠিত