
চিটাগং ট্রিবিউন ডেস্ক
হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে বাবার মৃত্যুর পর শেষবারের মতো লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি চেয়েছিলেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো. শাহরুখ খান; কিন্তু প্যারোলে মুক্তি না পাওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেটের সহযোগিতায় কারাফটকে বাবার মরদেহ দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে ছাত্রলীগ নেতা শাহরুখের বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পোস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার। এর আগে গত শুক্রবার মধ্যরাতে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।
শাহরুখের ভাই সালমান খান জানান, বাবার মৃত্যুর পর কারাগারে থাকা ছোট ভাই শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সালমান অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের এ–সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। পরে বিকেল পৌনে চারটায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। চারটার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা অভ্যন্তরে মাত্র পাঁচ মিনিট মরদেহ থাকতে দেওয়া হয়। পরে নগরের নিউ সার্কুলার রোডের গাজীবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার কড়াপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় সন্ধ্যায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।
