রমজান ঘিরে ঈশ্বরদীতে ঊর্ধ্বমুখী সবজির বাজার, ভোগান্তিতে সাধারণ ক্রেতা

চিটাগং ট্রিবিউন ডেস্ক
পবিত্র রমজানের প্রথম দিন থেকেই ঈশ্বরদীর হাট-বাজারগুলোতে সবজির দাম অনেক বেশি। লেবু, বেগুন, শসা ও কাঁচা মরিচ মতো সবজিগুলোর দাম গত কয়েকদিনের ব্যবধানে বেড়ে গেছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর তদারকির অভাবে পণ্যের কমতি না থাকলেও উচ্চমূল্যের কারণে স্বস্তি নেই সাধারণ ক্রেতার।
সরেজমিনে উপজেলার সবজি বাজারগুলোতে ঘুরে দেখা যায়, লেবু হালি প্রতি ২০০ টাকা, বেগুন কেজি প্রতি ৯০ থেকে ১০০ টাকা, শসা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ১৫০ টাকা, সজিনা ২২০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৪০ টাকা, আদা ১২০ টাকা এবং রসুন ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা এবং পুঁইশাক ৩৫ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হতে দেখা যায়।
সবজির দাম নিয়ে প্রশ্ন করায় বিক্রেতা জুয়েল বলেন, ‘শীত মৌসুমের শেষ দিকে সবজির সরবরাহ কিছুটা কমে যায়। আগের মতো আমদানি না হওয়ায় দাম বেড়েছে। তবে আমরা পাইকারি বাজার থেকে যে দামে কিনছি, সেই অনুযায়ীই বিক্রি করছি।’
বাজার করতে আসা রিকশাচালক নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘রমজানের শুরুতে এমনিতেই রাস্তাঘাটে যাত্রী কম থাকে, আয়-রোজগারও কমে যায়। সারাদিন রোজা রেখে ইফতারে ভালো কিছু খেতে চাই। কিন্তু বাজারে এসে জিনিসপত্রের দাম শুনলে মাথায় হাত পড়ে যায়। কী কিনব আর কী বাদ দেব, সেটাই ঠিক করতে পারি না।’
কলেজ শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী বাজার মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়ে বলেন, ‘সরকারি কর্তৃপক্ষ নিয়মিত বাজার তদারকি করলে দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে। বর্তমানে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মূল্য বাড়াচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, ‘ঈশ্বরদীতে আমাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে রাস্তার পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। খুব শিগগিরই কাঁচাবাজারসহ অন্যান্য বাজারে মনিটরিং ও অভিযান পরিচালনা করা হবে।’