প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- বাংলাদেশে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সরকারের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা বলেছেন, কাঁটাতার দিয়ে বাংলাদেশের জনগণকে ভয় দেখানো যাবে না।
অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিষয়টিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করলেও জানান, সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি সতর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের যোগাযোগ ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে, কোনো অঙ্গরাজ্যের সঙ্গে নয়।
এদিকে, বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বলছে, এই বেড়া নির্মাণের মাধ্যমে ‘বিভেদের দেওয়াল’ তৈরি করছে ভারত, যে কারণে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই উদ্যোগে নজর রাখছে তারা।
বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্তে বেড়া নির্মাণ নতুন কোনো বিষয় নয়, তবে পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিবর্তনের পর এটি নতুন রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, তার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই কেবল নিরাপত্তা নয়, রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেও দেখছেন। তবে দুই দেশের দীর্ঘ সীমান্তে অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও নিরাপত্তা ইস্যু বাস্তব সমস্যা হওয়ায় সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ থাকবে।