তবে এই চিঠির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন বুলবুল। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এক ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, ‘একটা খবর দেখলাম যে আমি নাকি আইসিসিকে রিকোয়েস্ট করেছি বাংলাদেশের ফান্ডিং বন্ধ করে দেওয়ার জন্য। সেটা কখনোই সম্ভব না এবং সেটা আমার দ্বারা কখনো হয়নি, ঘটেওনি। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। আইসিসির কাছে আমি কখনো এমন কোনো রিকোয়েস্ট করবো না, যাতে বাংলাদেশের কোনো ক্ষতি হয়।’
গত ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত ঘোষণা করে। গত অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই নির্বাচনে বুলবুল সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
একই সঙ্গে এনএসসি তামিম ইকবালের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করে। এই কমিটির দায়িত্ব ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে বিসিবির কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং ৯০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজন করা।
পরবর্তীতে ৭ জুন সেই অ্যাডহক কমিটি নির্বাচন আয়োজন করে। ওই নির্বাচনে তামিম ইকবাল আগামী চার বছরের জন্য বিসিবির সভাপতি নির্বাচিত হন।