ভেনিজুয়েলার ঘটনার পরপরই ডেনমার্কের নিরাপত্তা সূত্রগুলো সব ধরনের প্রতিকূল পরিস্থিতিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে শুরু করে। ডেনিশ, ফরাসি, জার্মান, নরওয়েজিয়ান এবং সুইডিশ সৈন্যদের একটি ছোট সামরিক দল দ্রুত গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুক এবং কাঙ্গারলুসসাক বিমানবন্দরে পাঠানো হয়।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সেই সময় স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে অতিরিক্ত সামরিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছিলেন। যদিও এই মোতায়েনকে ডেনমার্ক-নেতৃত্বাধীন যৌথ সামরিক মহড়া ‘অপারেশন আর্কটিক এনডুরেন্স’-এর অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল, তবে এর আসল উদ্দেশ্য ছিল সম্ভাব্য মার্কিন আগ্রাসন প্রতিরোধ করা। ডিআর জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বিমান অবতরণ আটকাতে রানওয়ে ধ্বংস করার পরিকল্পনাটি ছিল ডেনমার্কের চূড়ান্ত প্রতিরক্ষামূলক কৌশলের অংশ।
অবশ্য একজন ডেনিশ প্রতিরক্ষা সূত্র স্বীকার করেছেন, সরাসরি মার্কিন আক্রমণ দীর্ঘ সময় ঠেকিয়ে রাখা ডেনিশ সৈন্যদের পক্ষে সম্ভব ছিল না। তবে গ্রিনল্যান্ড দখল করতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে যে শত্রুতামূলক পদক্ষেপ নিতে হতো, সেই বার্তাটি তারা স্পষ্ট করতে চেয়েছিল।
পরবর্তীতে ২১ জানুয়ারি দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে ট্রাম্প সুর নরম করে বলেন, তিনি গ্রিনল্যান্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ করতে চান না। এরপর থেকে ট্রাম্প উত্তেজনা কমাতে এবং একটি সমঝোতার পথ খুঁজে বের করতে ‘তাৎক্ষণিক আলোচনা’ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ন্যাটোর দুই মিত্র দেশের মধ্যে এমন নজিরবিহীন সামরিক উত্তেজনার খবরটি বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সূত্র: বিবিসি