এছাড়াও, আলোচিত ছবিতে শেখ মুজিবের পাশে শহিদ জিয়াউর রহমানের ছবিও দেওয়া আছে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার কার্যালয়ে বসে আছেন।
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, আলোচিত ছবিটি আসল নয়। প্রকৃতপক্ষে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির সহায়তায় একটি মূল ছবি সম্পাদনা করে এটি তৈরি করা হয়েছে।
দাবিটি যাচাই করতে গিয়ে জাতীয় গণমাধ্যম বা অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে এমন ছবির অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি, ছবিটি পর্যবেক্ষণে একাধিক অসঙ্গতি শনাক্ত করা যায়।
যেমন, জিয়াউর রহমান ও শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতির নিচে দেখা যাওয়া নামসদৃশ লেখাগুলো কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ তৈরি করছে না। এ ধরনের বিকৃত বা অর্থহীন লেখা এআই-নির্মিত ছবির একটি সাধারণ লক্ষণ।
আরও অনুসন্ধানে ডেইলি সানে প্রকাশিত প্রধানমন্ত্রীর একটি ছবি পাওয়া যায়, যার সঙ্গে আলোচিত ছবিটির উল্লেখযোগ্য সাদৃশ্য রয়েছে। তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি)-এর সূত্রে প্রকাশিত ওই ছবিতে দেখা যায়, তারেক রহমানের পেছনে শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমানের কোনো ছবি নেই। তবে বাকি উপাদানগুলো আলোচিত ছবিটির সঙ্গে মিলে যায়।
পরবর্তীতে, ছবিটি এআই প্রযুক্তির সহায়তায় তৈরি কি না, তা নিশ্চিত হতে রিউমর স্ক্যানার গুগলের শনাক্তকরণ প্রযুক্তি SynthID দিয়ে বিশ্লেষণ করে। এতে দেখা যায়, ছবিটি গুগলের এআই প্রযুক্তির সহায়তায় তৈরি বা সম্পাদিত হয়ে থাকতে পারে।
অর্থাৎ, মূল ছবির সঙ্গে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে পেছনে দুই নেতার প্রতিকৃতি সংযোজন করে আলোচিত ছবিটি তৈরি করা হয়েছে।