মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬

সরকারের কাছে আসিফের চাওয়া

চিটাগং ট্রিবিউন ডেস্ক

নির্বাচিত সংসদ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান, একমত নন আসিফ। তার কথা হচ্ছে নির্বাচিত কেউ যদি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হন, তাহলে তিনি তার এলাকার কাজ নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকবেন। শুধু এলাকা নয়, পলিটিকস নিয়েই তাকে ব্যস্ত থাকতে হয়। ক্রীড়ায় মনোযোগ কম থাকবে। বরং টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হয়ে যদি কেউ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন, সেটি আরও ভালো হবে মনে করছেন আসিফ। তিনি বলেন, ‘আমি বলতে চাচ্ছি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বা ক্রীড়া লেভেলের মানুষরা কোনো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না হয়ে যদি টেকনোক্র্যাট থেকে আসে, তাহলে ফুল টাইম নেতা-কর্মীদেরকে না দিয়ে খেলাধুলাকে দেবে এবং এতে আমাদের খেলাধুলার জন্য সুবিধা হবে। আর যদি পলিটিশিয়ান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কেউ আসে, সে তার এলাকায় যাবে, রাজনীতি করবে আর ফাঁকে ফাঁকে খেলাধুলার কাজ করবে।’

আসিফ বলেন, ‘কখনো হয়নি বলে এখন হতে পারবে না সেটি কেন। দেশের জন্য কোনটি ভালো সেটি করতে হবে। সংবিধান মেনেই তো করা যায়।’ আসিফ শুধু ক্রীড়া মন্ত্রণালয় নিয়ে কথা বলেননি তিনি একই সঙ্গে দুটি ফেডারেশনের ব্যাপারেও কথা বলেছেন। তিনি মনে করেন বিসিবির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং বাফুফের সভাপতি তাবিথ আউয়ালকে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া যেতে পারে।

বিসিবি সভাপতির পদ এবং বাফুফের সভাপতি পদটি দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে এ দুটি ফেডারেশনের সভাপতিপদের মর্যাদা অনেক বেশি। প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া হলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সরকারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধে মিলিয়ে কাজ করতে পারবে। সরকারের জন্য ভালো হবে এবং বাফুফে ও বিসিবির জন্যও ভালো হবে।’

তিনি বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের মেয়র পদটি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া হয়। তাহলে বাফুফে এবং বিসিবির সভাপতি পদে এই মর্যাদা দেওয়া যাবে না কেন। আইন আছে কিনা, সেটি আইনের মানুষ রয়েছেন তারা দেখবেন। সংসদ আছে। সেখানে আলোচনা করে আইনের বিষয় খতিয়ে দেখে আইনে পরিণত করা যায়। আইনপ্রণেতারা ভেবে দেখবেন, এটি কীভাবে করা যায়।’ আসিফ বলেন, ‘আমি চেয়েছি। এখন বাকিটা তাদের (সরকার) সিদ্ধান্ত।’

সর্বাধিক পঠিত