মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, রোজের সঙ্গে দুই পরিবারের সমঝোতার ভিত্তিতে বাগদান সম্পন্ন হলেও পরবর্তীতে নোবেল তাকে স্টুডিওতে আটকে রেখে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কের চেষ্টা করেন। সম্মতি না দেয়ায় তিনি রোজকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন এবং মোবাইল ফোনে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। একই সঙ্গে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগী থেকে ১৩ লাখ টাকার বেশি আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে।
উল্লেখ্য, নোবেলের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মামলা রয়েছে। ২০২৫ সালের ১৯ মে ধর্ষণ ও মারধরের অভিযোগে ডেমরা থানায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ওই মামলার বাদীকে কারাগারে বিয়ে করার পাঁচ দিন পর নোবেল জামিনে মুক্তি পান।