
চিটাগং ট্রিবিউন ডেস্ক
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সব ফ্রন্টকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে লেবাননও রয়েছে। তিনি সতর্ক করেছেন, কোনো একটি ফ্রন্টে লঙ্ঘন হলে তা পুরো যুদ্ধবিরতি ব্যবস্থার লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।
সোমবার (১ জুন) নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে আরাঘচি এ কথা বলেন।
ইরানের শীর্ষ এই কূটনীতিক সতর্ক করে বলেন, কোনো লঙ্ঘনের পরিণতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী হতে হবে।
আরাঘচির এ মন্তব্য এমন সময় এসেছে, যখন ইসরায়েলি শাসন লেবাননের ওপর প্রাণঘাতী হামলা আরও জোরদার করেছে। এই উত্তেজনা এমন এক প্রেক্ষাপটে বাড়ছে, যখন ইরান মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্রন্টে দ্রুত শত্রুতা বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছে—যা ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য একটি সমঝোতা স্মারকের অংশ হতে পারে।
প্রস্তাবিত এই চুক্তির লক্ষ্য হলো ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কথিত অপ্ররোচিত ও অবৈধ আগ্রাসনের ফলে সৃষ্ট সংঘাতের অবসান ঘটানো, যা ইরান ও অঞ্চলের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৮ এপ্রিল একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন, তবে ওয়াশিংটন বা তেল আবিব কেউই এর শর্ত মানেনি।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সোমবার লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দাহিয়েহ এলাকায় সামরিক হামলার নির্দেশ দেন। তিনি দাবি করেন, এটি লেবাননের প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর “বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের” জবাব।
নেতানিয়াহু বলেন, তিনি ও সামরিক বিষয়ক মন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ সেনাবাহিনীকে ওই এলাকায় “লক্ষ্যবস্তুতে” হামলার নির্দেশ দিয়েছেন।
